Type Here to Get Search Results !

e-shram card benefits in bengali | ই শ্রম কার্ড সুবিধা

 New Delhi: ৩৮ কোটি অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য e-SHRAM পোর্টাল চালু করেছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই এর সুবিধা পেতে শ্রমিকদের নাম ও তথ্য নথিভুক্তের কাজ শুরু হয়েছে দেশে। কেন্দ্রের তরফে জানান হয়েছে e-SHRAM card থাকলেই একাধিক সুবিধা পাবেন শ্রমিকরা। এই e-portal এর মাধ্যমে নির্মাণকার্জের শ্রমিক, পরিযায়ী শ্রমিক, হকার, পরিচারকের মতো দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। 

এই পোর্টালটির উদবোধনের সময় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জানিয়েছিলেন, এই পোর্টালের সাহায্যে বহু অসংগঠিত শ্রমিককে সরকারি স্কিমের সুবিধা দেওয়া হবে। দেশে এই প্রথম এমন একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা শ্রমিকদেরকে সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যুক্ত করবে। রেজিস্ট্রেশনের পরে, শ্রমিকদের একটি ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (ইউএএন)-সহ একটি ই-শ্রম কার্ড দেওয়া হবে। যাতে তাঁরা যে কোনও সময় এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা স্কিমের সুবিধাগুলি অ্যাক্সেস করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য ই-শ্রম পোর্টাল চালু করেছেন। এই পোর্টালে আবেদন করলে কৃষক/শ্রমিক/লেবার/টোটো-অটো চালক/ড্রাইভার/কন্ডাকটর/নির্মাণ কর্মী/প্রাইভেট টিচার/আশা কর্মী/অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী/রিকশাচালক, রাস্তার বিক্রেতা, মিড-ডে মিল খাবার শ্রমিক, হেড লোডারস, ইট ভাটা শ্রমিক, মুচি, রাগ বাছাইকারী, গৃহকর্মী, ওয়াশার পুরুষ, গৃহ ভিত্তিক কর্মী, নিজস্ব হিসাব কর্মী, কৃষি শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, বিড়ি শ্রমিক, তাঁত শ্রমিক, চামড়া শ্রমিক, অডিও-ভিজ্যুয়াল শ্রমিক বা অনুরূপ অন্যান্য পেশায় যুক্ত শ্রমিক থেকে শুরু করে প্রায় সমস্ত অসংগঠিত শ্রমিকেরা এখানে আবেদন করতে পারবেন। সমস্ত লিস্ট নিচে দেওয়া হলো, কারা কারা আবেদন করতে পারবেন।



ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে আপনাকে অনলাইনে। আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যদি আপনার আধার কার্ডের সাথে মোবাইল নাম্বার লিংক থাকে তাহলে আপনি ঘরে বসে অনলাইনে মোবাইলে আবেদন করতে পারবেন ফ্রিতে ই-শ্রম কার্ডের জন্য।

আর আপনার আধার কার্ডের সাথে যদি মোবাইল নাম্বার লিংক না থাকে তাহলে আপনাকে নিকটবর্তী তথ্য মিত্র কেন্দ্রে(CSC) যেতে হবে।সেখানে আধার কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার নিয়ে যেতে হবে।তারা আপনাকে E Shram Card বানিয়ে দিবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাথে সাথেই।

এই পোর্টাল থেকে কী সুবিধা পাবেন শ্রমিকরা? (e-SHRAM Portal Benefits)

 নতুন এই পোর্টালে নিজেদের নাম রেজিস্টার করে সুবিধা পেতে পারেন দিন মজুর, পরিযায়ী শ্রমিক, পরিচারিকা-পরিচারক ছাড়াও ফুটপাথের দোকানিরা। মূলত ৩৮ কোটি অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের ডেটাবেস তৈরি হবে এই পোর্টালের মাধ্যমে।
 এই পোর্টালে রেজিস্টার করতে ১৪৪৩৪ টোল ফ্রি নম্বর দেওয়া হয়েছে শ্রমিকদের জন্য। কোনও কারণে শ্রমিকরা নাম নথিভুক্ত করতে না পারলে এই নম্বরে পাওয়া যাবে সমাধান।
 নিজের আধার কার্ড নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টসের ডিটেইলস দিয়ে এই পোর্টালে রেজিস্টার করতে পারেন শ্রমিকরা।এখানে নাম নথিভুক্ত করতে জন্মের তারিখ, মোবাইল নম্বর, শহর, গ্রাম বা সোশ্যাল ক্যাটিগরি জানাতে হবে।

 একবার এই পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করলে e-SHRAM card দেবে কর্তৃপক্ষ। যেখানে নির্দিষ্ট ১২ সংখ্যা দেওয়া থাকবে কার্ডে। কেন্দ্রীয় সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে কাজে লাগবে এই কার্ড।
 কার্ডের Universal Account Number সারা দেশে গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করা হবে।
 অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, BOCW কর্মী, SHG সদস্য, ঘরের পরিচারক, ASHA কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, ফুটপাথের দোকানি, রিক্সা চালক, ইটভাটার শ্রমিক, খেত মজুর, মনরেগার কর্মী, মৎস্যজাবী ছাড়াও ছেটা দোকানিরা নিজেদের নাম এই পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
 কোনও কারণে শ্রমিকের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ব্যক্তি বিকলাঙ্গ হয়ে গেলে সরকারের তরফে একই টাকা দেওয়া হবে। তবে দুর্ঘটনায় ব্যক্তি আংশিক শারীরিকভাবে অক্ষম হলে ১ লক্ষ টাকা দেবে কেন্দ্র। 

ই-শ্রম পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রথমে https://www.eshram.gov.in/-এ যেতে হবে। এরপর আধার নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও মোবাইল নম্বর-সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে রেজিস্টার করাতে হবে। 

কীভাবে করবেন e Shram Portal Registration ?

 প্রথমে এই সাইটে গিয়ে https://www.eshram.gov.in রেজিস্ট্রেশন করতে লগ ইন করুন।
 এখানে “Register on e-Shram” সেকশন দেখতে পাবেন আপনি।
 একবার এখানে ক্লিক করলে https://register.eshram.gov.in/#/user/self এই জায়গায় পৌঁছে দেবে সাইট।
 e Shram Portal পোর্টালে রেজিস্ট্রশেনের ক্ষেত্রে আধার নম্বর, আধার লিঙ্কড অ্যাকটিভ মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস দিতে হবে পোর্টালে।
 রেজিস্ট্রশেনের জন্য আবেদনকারী শ্রমিকের বয়স ১৬-৫৯ বছর হতে হবে। এর ঊর্ধ্বে কোনও ব্যক্তির নথিভুক্তিকরণ করা হবে না।


ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করার শর্তঃ-
১) অসংগঠিত শ্রমিকদের বয়স ১৬ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। এই কার্ডের জন্য ছেলে/মেয়ে সবাই আবেদন করতে পারবেন।

২) অসংগঠিত শ্রমিক যদি কোনোরকম Income Tax না দিয়ে থাকে তাহলে আবেদন করতে পারবেন।

৩) যদি সেই আবেদনকারী কোনোরকম Employees’ Provident Fund Organization (EPFO) ও Employees’ State Insurance Corporation (ESIC) এর সদস্য না হয়ে থাকে তাহলে আবেদন করতে পারবে।

ই-শ্রম কার্ডে আবেদন করলে কি কি সুবিধা পাবেন আপনি?

ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করলে ও কার্ড যদি আপনার থাকে আপনি অনেক সুবিধা পেয়ে যাবেন। নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ-আবেদনের শর্তঃ-

১) বয়স থাকতে হবে ১৮ থেকে ৪০ এর মধ্যে।

২) মাসিক ইনকাম ১৫ হাজার টাকা কিংবা তার কম থাকতে হবে।

৩) EPF/NPS/ESIC এর সদস্য হলে আবেদন করতে পারবেন না।

৪) আর আপনি যদি income tax দিয়ে থাকেন তাহলে এর লাফ পাবেন না।

আবেদন পদ্ধতিঃ– আবেদন করার জন্য লাগবে-

১) আধার কার্ড।২) মোবাইল নাম্বার।৩) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার।

আবেদন করার জন্য CSC center এ যেতে হবে কিংবা PM-SYM এর ওয়েবসাইটে গিয়েও নিজে আবেদন করতে পারবেন।

এই প্রকল্পের লাভ কি রয়েছেঃ-

PM-SYM এ আবেদন করলে আপনার বয়স যখন ৬০ বছর হবে তখন প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আপনার একাউন্টে চলে আসবে। এর পাশাপাশি যদি আপনার মৃত্যু হয় তাহলে আপনার স্বামী/স্ত্রী প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবে।এর লাভ নিতে গেলে আপনাকে কিছু টাকা(৫০%) দিতে হবে তবে সেই টাকা কোথাও গিয়ে জমা করতে হবে না,অটোমেটিক আপনার একাউন্ট থেকে কেটে নিবে।কত বয়সে কত টাকা দিতে হবে নিচের চার্টটি ফলো করুনঃ-

Pradhan Mantri Shram Yogi Maan-dhan (PM-SYM) প্রকল্প নিয়ে কিছু জানার থাকলে নিচের নাম্বারে কল করতে পারেনঃ-

1800 2676 888

National Pension Scheme for Shopkeepers, Traders, and the Self-employed Persons (NPS-Traders) এই প্রকল্পের যে সমস্ত সুবিধা পাবেনঃ-

আবেদন করার শর্তঃ-

১)বয়স থাকতে হবে ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।

২) বার্ষিক লেনদেন থাকতে হবে 1.5 কোটি বা তার কমের মধ্যে।

৩) দোকানদার বা মালিক, যাদের ক্ষুদ্র বা ছোট দোকান, রেস্তোরাঁ, হোটেল, রিয়েল এস্টেট দালাল ইত্যাদি তারা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন পদ্ধতিঃ- আবেদন করতে হবে অনলাইনে এরজন্য নিকটবর্তী CSC Center এ যেতে হবে। এর পাশাপাশি এই প্রকল্পের লাভ নিতে গেলে আপনাকে প্রতি মাসে ৫০% টাকা দিতে হবে।কত টাকা করে একাউন্টে জমা করতে হবে প্রতি মাসে নিচের চার্চটি দেখুনঃ-

National Pension Scheme for Traders and Self-Employed Persons (NPS-Traders) সুবিধাঃ-

আপনার বয়স ৬০ বছর হলে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে পাবেন একাউন্টে।

Pradhan Mantri Jeevan Jyoti Bima Yojana (PMJJBY) এর সুবিধাঃ-

এই প্রকল্পে আবেদন করলে ২ লক্ষ টাকার বিমা পেয়ে যাবেন। এরজন্য আপনাকে নিকটবর্তী ব্যাঙ্কে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীর বয়স থাকতে হবে ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এখানে প্রতি বছর ৩৩০ টাকা করে দিতে হবে আবেদন করতে চাইলে।যখন আপনি থাকবেন না তখন আপনার পরিবার ২ লক্ষ টাকা পেয়ে যাবে।Pradhan Mantri Suraksha Bima Yojana (PMSBY) এর সুবিধাঃ-

আবেদন করার শর্তঃ-

১) বয়স থাকতে হবে ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।

২) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বার থাকতে হবে।

৩) আধার কার্ড থাকতে হবে।

আবেদন করার পদ্ধতিঃ- এরজন্য আপনাকে নিকটবর্তী ব্যাঙ্কে গিয়ে আবেদন করতে হবে আর আপনি ই-শ্রম পোর্টাল আবেদন করলে এর লাভ পেয়ে যাবেন।

Pradhan Mantri Suraksha Bima Yojana (PMSBY) Benefit:-

১) আপনার দুর্ঘটনাজনিত কারনে মৃত্যু হলে আপনার পরিবার ২ লক্ষ টাকা পাবে।

২) আংশিক ক্ষতি হলে ১ লক্ষ টাকা পাবে।

এরজন্য আপনাকে প্রতি বছর ১২ টাকা করে দিতে হবে। আর প্রথম ১ বছর কেন্দ্র সরকার দিবে এই ১২ টাকা যদি E Shram Portal Registration করা থাকে।

এছাড়াও অনেককিছু আরও রেশন,জব কার্ডের কাজ, ফ্রীতে ঘরের ১ লক্ষ ২০ হাজার /৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু।

ই-শ্রম পোর্টাল লিংকঃ- eshram.gov.in


Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads